নতুন করে আরও কয়েক হাজার বিদ্যালয় কর্মসূচির আওতায় আসছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে সাধারণ মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মকর্তারা বিস্তারিত তুলে ধরেন। তাঁরা জানান, পরিকল্পনাটি কয়েকটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে এবং প্রতিটি ধাপের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো বাস্তবায়ন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে এর সুফল দ্রুত পাওয়া যাবে। তবে তদারকিতে ঘাটতি থাকলে লক্ষ্য অর্জন কঠিন হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তাঁরা।

আমরা চাই সাধারণ মানুষ সরাসরি এর সুবিধা পাক। সে লক্ষ্যেই কাজ চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা খবরটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। একজন বাসিন্দা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা এমন একটি পদক্ষেপের অপেক্ষায় ছিলেন।

অন্যদিকে কেউ কেউ বলছেন, শুধু ঘোষণা নয়, মাঠপর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়নই আসল পরীক্ষা। তাঁদের দাবি, অগ্রগতির তথ্য নিয়মিত জনসমক্ষে প্রকাশ করা হোক।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রথম ধাপের কাজ শেষ হবে। এরপর ফলাফল মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।